চেয়ারম্যানের বাণী
মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমত ও মেহেরবানিতে বাইতুল্লাহ ফাউন্ডেশন পথচলার শুরু থেকে মানুষের কল্যাণে ইসলামে নির্দেশিত পথে কাজ করে যাচ্ছে। আজ (৩০.০৯.২০২৬) আলহামদুলিল্লাহ, বাইতুল্লাহ ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ৫০০ জনের অধিক অংশীজন নিয়মিত মাসিক অনুদানের মাধ্যমে যুক্ত রয়েছেন। তাঁদের ভালোবাসা, আস্থা ও সহযোগিতাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রধান শক্তি।
“বাইতুল্লাহ ফাউন্ডেশনের সকলের প্রতি আমার অঙ্গীকার—মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে যতদিন রিজিকে হায়াত দান করবেন, ততদিন আমি বাইতুল্লাহ ফাউন্ডেশন থেকে কোনো প্রকার পারিশ্রমিক, বেতন, ভাতা বা সম্মানী গ্রহণ করব না। ফাউন্ডেশনের জন্য আমার সকল শ্রম, সময় ও অর্থ যেন একমাত্র আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি ও রাজি-খুশির জন্য হয়—এটাই আমার আন্তরিক প্রত্যাশা ও নিয়ত।”
আমরা স্বপ্ন দেখি—বাইতুল্লাহ ফাউন্ডেশন শুধু আজকের প্রয়োজন মেটাবে না; বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সেবামূলক, মানবিক ও টেকসই কল্যাণব্যবস্থা গড়ে তুলবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা সততা ও আমানতদারিতার সঙ্গে বৃহৎ পরিসরে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।
সম্মানিত সদস্যবৃন্দ ও পদবী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (RJSC) নিবন্ধিত (নং S-15074/2026) বাইতুল্লাহ ফাউন্ডেশনের অনুমোদিত কার্যনির্বাহী পরিষদ।
হাফিজা আক্তার
ডা. মো. শাকিলুর রহমান
মোহাম্মদ লিটন আলী
ডা. এম. মনিরুজ্জামান
আতিকুর রহমান আলিফ
মোহাম্মদ জুয়েল রানা
ফারহান আজিজ
মোঃ শিপন মাহমুদ
তামিম হোসেন রাব্বি
মো. নুরুল ইসলাম
মো. সোহেল রানা
মোঃ মঈনুদ্দিন শেখ
মোঃ শামীম হোসেন
মোঃ দুলাল উদ্দিন
শাহানা আক্তার
সুজন মিয়া
মোঃ লুৎফর রহমান
আকিবুল ইসলাম
শ্রাবণী আক্তার
আমাদের উদ্দেশ্য ও আগামীর ভাবনা
আমাদের লক্ষ্য (Our Mission)
সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের শিক্ষা, উন্নত সুযোগ, মানবিক মর্যাদা ও বেঁচে থাকার নতুন আশা জোগাতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিটি অবহেলিত প্রাণের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের অন্ধকার দূর করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
আমাদের রূপকল্প (Our Vision)
এমন এক সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখা, যেখানে কোনো শিশুকে আর অবহেলায় পথে-ঘাটে মানবেতর জীবন কাটাতে হবে না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সেবামূলক, মানবিক ও টেকসই কল্যাণব্যবস্থা গড়ে তোলা।
আমাদের মূল মূল্যবোধ
ক্ষুধামুক্ত জীবন
ক্ষুধা কখনো অপেক্ষা করে না। যেখানে মানুষের বেঁচে থাকার মৌলিক সংকট রয়েছে, আমরা সেখানে অবিলম্বে খাদ্য পৌঁছে দিই।
মানবিক মর্যাদাই প্রথম
আমরা করুণা দিয়ে নয়, সর্বোচ্চ সম্মান ও মর্যাদার সাথে মানুষের পাশে দাঁড়াই। প্রতিটি মানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার অধিকার রয়েছে।
স্বাবলম্বীকরণ ও সক্ষমতা তৈরি
আমরা কেবল তাৎক্ষণিক সাহায্যই করি না, বরং তাদের স্বনির্ভর হয়ে গড়ে ওঠার দীর্ঘমেয়াদী পথ তৈরি করে দিই।
টেকসই উন্নয়ন
আমরা এমন উদ্যোগ নিই যা নৈতিকভাবে এবং স্থানীয় কমিউনিটিকে সাথে নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকর ভূমিকা রাখে।
সমতা ও অন্তর্ভুক্তি
আমরা সমাজে সবচেয়ে উপেক্ষিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াই, যেন কোনো মানুষ শিক্ষা ও সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।
আশার আলো ছড়ানো
আমরা আশাকে বাস্তব উদ্যোগে এবং উদ্যোগকে ইতিবাচক স্থায়ী পরিবর্তনের মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি কোণে ছড়িয়ে দিই।